ছোট বড় সব ধরণের ব্যবসাকে সফল করতে একটি ওয়েবসাইট ও তার গুরুত্ব

ওয়েবসাইট (Website) কি?

বর্তমানে ইন্টারনেট জগতে একটি ব্যবসা, প্রতিষ্ঠান, বা আপনার কোন শখ, বা কোন জরুরী বিষয় সারা বিশ্বের লোকদের মাঝে তুলে ধরার একটি অন্যতম মাধ্যম হলওয়েবসাইট। ওয়েবসাইট শুধু সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্কই না, বরং ইন্টারনেট এখন বিশ্বের সবচাইতে বড় তথ্যভান্ডার। অন্যতম জ্ঞানের উৎস ও যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। ওয়েবসাইট খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

একটি ওয়েবসাইট কেন প্রয়োজন?

প্রথমত, ওয়েবসাইট যেকোনো ব্যবসার অনলাইন পরিচয় ও ঠিকানা। ওয়েবসাইট থাকলে প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা বেড়ে যায়। একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব কম খরচে যেকোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রচার এবং প্রসার বাড়ানো যায় এবং এতে প্রতিষ্ঠানের পণ্যের চাহিদা বাড়ে, আশানুরূপ বিক্রি বৃদ্ধি পায়।
বিভিন্ন প্রয়োজনে একটি ওয়েবসাইটের দরকার হতে পারে।
যেমনঃ
• ব্লগিং
• অনলাইন শপিং
• তথ্য অনুসন্ধান
ইত্যাদি, বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট খোলা হয়ে থাকে।
ওয়েবসাইট তৈরির প্রথম কাজ হচ্ছে সাইটের জন্য সঠিক নাম এবং ডোমেইন নির্বাচন করা। একটি সুন্দর ডোমেইন নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান পরিচিতির জন্য। ব্যক্তিগত কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক যেকোনো ক্ষেত্রে পণ্যের যাবতীয় মার্কেটিং এই ডোমেইন কে নির্ভর করে করা হয়।* আপনার পণ্য, সেবা বা ব্যবসার সঙ্গে মেলে এমন ডোমেইন নাম পছন্দ করুন।

মনে রাখতে হবে:

ডোমেইন নিবন্ধন কি? কেন দরকার এবং কোথায় করবেন?

• নাম ছোট হলে ভালো। এতে আপনার সাইট নামটা সবার জন্য মনে রাখা সহজ হবে।
• খুব সহজেই ডোমেইন নিবন্ধন করা যায়। কোম্পানি ভেদে আর মূল্য ৭০০ থেকে 1200 টাকার হয়ে থাকে। .ইনফো ডোমেন কিনতে ১৭০০ টাকাও লেগে যায়। ডোমেইন এক বা দুই বছরের জন্য নিবন্ধন করা যায়। মেয়াদ শেষে নবায়ন (রিনিউ) করতে হয়। নবায়ন এর সময় প্রতিবছর সময় মূল্য পরিশোধ করতে হয়। এই কাজটা করে দেওয়ার জন্য অনেক পেশাদার প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বে অনেক কোম্পানি রয়েছে। edomainhost.com বাংলাদেশের একটি বেশ ভালো মানের নামকরা নিবন্ধিত কোম্পানি। ওয়েবসাইটটিতে সব ধরণের পেমেন্ট অপসন এড কোটা আছে. যেকেউ চাইলেই প্রয়োজনীয় তত্থ প্রদান করে এই কোম্পানি থেকে ডোমেইন নিবন্ধন করতে পারবেন।
• ডোমেন কেনার পর ডোমেইনের নিয়ন্ত্রণ (কন্ট্রোল প্যানেল)নিজের হাতে অবস্যই বুঝে নিবেন। কন্ট্রোল প্যানেল দিতে পারবে না এমন সেবাদাতা কোম্পানি বা প্রোভাইডারের কাছ থেকে ডোমেইন কিনলে পরবর্তীতে ঝামেলায় পড়ার আশংকা থাকতে পারে। বিশ্বস্ত একটি ডোমেইন সরবরাহকারী হলো বাইরের সেবাদানকারী বাইরের প্রতিষ্ঠান হলো godaddy, namecheep ইত্যাদি এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান যেমন edomainhost.com, studio11.pw, এছাড়াও অনেক প্রতিষ্ঠান আছে। তবে বাংলাদেশী যারা আছেন তারা অবশ্যই বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ডোমেইন কিনার চেষ্টা করবেন। কেননা সরাসরি এবং খুব সহজেই সাপোর্ট পাবেন সমস্যা হলে। বাইরের কোম্পানি ও যে কোনো সমস্যায় খুব দ্রুত সাহায্য করে। তবে সহজেই যোগাযোগ করা যায় এমন দেশীয় প্রতিস্থানের কাছ থেকেও আস্থার সাথে সেবা নিতে পারেন। এতে আপনি নিজেই বেশি লাভবান হবেন।
• আপনি যে নাম বা ডোমেইন ঠিক করলেন, সেটা খালি আছে কি না, তা জানতে স্টেপ গুলো ফলো করেন,https://edomainhost.com -https://edomainhost.com/domains.html – Search You Domain Name …………তখন আপনাকে যে মেসেজ দিবে থাকলে আপনি ডাইরেক্ট পেমেন্ট অপসন এ যাবেন। না থাকলে নতুন নাম ট্রাই করবেন।

 

হোস্টিং নিবন্ধন কি? কেন দরকার এবং কোথায় করবেন?

ডোমিং নিবন্ধন শেষে হোস্টিং কিনতে হয়। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক দেশীয় এবং বাইরের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আছে। দেশে আমাদের সব কাস্টমার হোস্টিং কিনেন সবাই https://edomainhost.com থেকে। মূলত https://edomainhost.com এবং https://studio11.pw দুইটা প্রতিষ্ঠান ই https://iiexplore.com এর সিস্টার কনসার্ন। খুবই নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান। আপনারা ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে যত ধরণের নিরাপত্তা আছে এই প্রতিষ্ঠানে সব পাবেন। দাম অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠানের মতোই কিছু কম বা বেশি। তবে সাপোর্ট 24/7 পাবেন। ডোমেইন এর মতো হোস্টিং কিনে সব কন্ট্রোল নিজের কাছে বুঝে নিবেন। যারা দিবেনা তাদের থেকে দূরে থাকবেন। কখনো ঠকবেননা। অনেকেই বলবে অল্প টাকায় আনলিমিটেড হোস্টিং পাওয়া যায়। এসব কোথায় কখনো বিভ্রান্ত হবেননা। আপনার যা লাগবে তাই কিনবেন এবং ততটুকুই বুঝে নিবেন। অল্প টাকায় কম দামি হোস্টিং কখনোই ভালো সার্ভিস সম্ভম না। মনে রাখবেন হোস্টিং হলো, ডোমেইন বা ওয়েবসাইট রাখার স্পেস যা অনলাইন এ থাকে। আপনি আপনার ওয়েবসাইট যদি দ্রুত লোড না হয়, তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে ভিসিটর আসবেনা এবং পেজ রেঙ্কিং এ থাকবেনা। তখন আপনার প্রোডাক্ট সালে হবেনা। দিন শেষে আপনি লুজার হবেন ব্যবসায়িক দিক থেকে। খুব ভালো মানের হোস্টিং আপনাকে আপনার ব্যবসাকে দ্রুত পরিচিতি দিতে সাহায্য করবে। এবং পণ্যের প্রচারকেও দ্রুতগামী করবে। নিজে ভালো মানের পণ্য কিনে অন্যকেও ভালো মানের পণ্য কিনতে সাহায্য করুন।

আপনি কোন ওয়েবসাইট বানাবেন?

ওয়েবসাইট বানানোর খরচ অনেক কিছুর উপরেই নির্ভর করে। যেমন এর কার্যকারিতা, বিভিন্ন সার্ভিস এবং সাইট এর ব্যবহার ইত্যাদি।
আপনি যদি মুমোটামুটি মানের একটা বেসিক ওয়েবসাইট করতে চাচ্ছেন যাতে কিছু কন্টেন্ট থাকবে এবং এটা পরিবর্তন করবেন আপনি নিজে থেকে।
এক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্যবসা এর নামে একটা ডোমেইন নিবন্ধন শেষে হোস্টিং কিনবেন। ওয়েবসাইট টা রাখার জন্য একটা হোস্টিং এর দরকার পড়বে। এটাও মুটামুটি মানের/সাইজের প্যাকেজগুলো ডোমেইন এর দামেই পড়বে। দুইটা মিলে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজারের মধ্যে কিনতে পারবেন।

এখন প্রধান বিষয় হলো ওয়েবসাইট টা দাঁড় করানো নিয়ে। ওয়েবসাইট যদি কোন কোম্পানি কে দিয়ে বানিয়ে নেন তাহলে একটা বেসিক সাইট এর জন্য দশ হাজার থেকে শুরু করে লাখ খানেক টাকা পর্যন্ত নিতে পারে। আপনার কোন বন্ধুকে আপনি সিংগাড়া খাইয়েও বানিয়ে নিতে পারেন সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।
তবে সবচাইতে উত্তম হবে এরকম স্টার্টার সাইট হিসেবে শুরু করার জন্য কিছু টুলস নিজেই শিখে চেষ্টা করা।

আপনি কিরকম ওয়েবসাইট বানাতে চাচ্ছেন, সেটার ওপরে নির্ভর করবে আপনার টাকা খরচের পরিমান।

ওয়েব সাইট এর প্রকার ভেদঃ

• ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট
• সামাজিক ওয়েবসাইট
• ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট
• প্রশ্ন উত্তর বিষয়ক ওয়েবসাইট
• খবর বা নিউজপেপার ওয়েবসাইট
• নিস ওয়েবসাইট

যদি একটি “অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট” তৈরির কথা ভাবছেন, তাহলে সেটা একজন web designer বা developer কে দিয়ে বানাতে হবে। কারণ, এই ধরণের advanced website বানানো সবার পক্ষে সম্ভব না। কাস্টম ডিসাইন ওয়েবসাইট অনেক ভালোমানের হয়. অনেক ফাঙ্কশন ড করা থাকে। দেখতে সুন্দর উন্নত ডিসাইন এবং রেস্পন্সিভ ওয়েবসাইট খুব দ্রুত রেঙ্ক করে। প্রোডাক্ট সেল অনেক সহজ হয়। এই ক্ষেত্রে, ডিজাইনের কোয়ালিটি বুঝে ডিজাইনাররা দাম চাবেন অবশ্যই। ১০- লক্ষ টাকার ওয়েবসাইট বানানো হয়।
কিন্তু, একটি অনলাইন শপিং বা e-commerce সাইট বানানোর খরচ প্রায় ৪০,০০০/- থেকে ৫০,০০০/- এর ভেতরেই। আমাদের কিছু রেডি ওয়েবসাইট বানানো আছে। সবধরণের কাস্টমারের কথা মাথায় রেখে আমরা এগুলো দেশগন করেছি। এখানে ৫০০০- ৫০০০০ টাকার মধ্যে এ-সম্মের্স ওয়েবসাইট পাওয়া যাবে। পেমেন্ট getaway ইন্টিগ্রেট করা আছে. যে কেউ চাইলেই অনলাইন এ কার্ড, বক্ষ, রকেট দিয়ে পেমেন্ট করে ইনস্ট্যান্ট একটি ওয়েবসাইটের মালিক হতে পারেন।
অবশই, অনেক web developer রা আপনাকে আরো কম টাকাতেই বানিয়ে দিতে পারে। তাছাড়া, যদি একটি সাধারণ ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করতে হয় , তাহলে যেকোনো web developer বা designer কে দিয়ে কেবল ১০,০০০/- থেকে ১৫,০০০/- মধ্যেই বানিয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু, যদি একটি সাধারণ ওয়েবসাইট বা ব্লগ বানাতে চাচ্ছেন, তাহলে সেটা নিজেই তৈরি করে নিতে পারবেন ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress) এর মাধ্যমে। এবং, এই ক্ষেত্রে প্রথম অবস্থায় খরচের পরিমান কম।
একটি, সাধারণ কোম্পানি ওয়েবসাইট বা ব্লগ নিজেই বানানোর জন্য আপনার কিছু সাধারণ জিনিসের প্রয়োজন। এবং, এই ধরণের ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট বানানোর সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া আপনারা গুগলে সার্চ করে বা ইউটিউবে ভিডিও দেখেই জেনে নিতে পারবেন।
আর যদি বাজেটের মধ্যে সবধরনের গুনগত মান ঠিক রেখে আপনি ওয়েব সাইট বানাতে চান তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

 

কোন হোস্টিং ই-কমার্স সাইটের উপযোগী?

ই-কমার্স সাইটের জন্য ডোমেইনের পরেই প্রয়োজন ভালো মানের হোস্টিং। হোস্টিং হলো আপনি যে সাইটটা তৈরি করবেন, সেটা যাবতীয় ডেটা, ফাইল ও দরকারি জিনিসপত্র রাখার জায়গা, মানে কম্পিউটার সার্ভার। হোস্টিং যেকোনো দেশি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নেওয়া হয়। সাইট রাখার এই কাজটা বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন: ডেডিকেটেড হোস্টিং, শেয়ার (ভার্চ্যুয়াল), ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট সার্ভার (ভিপিএস হোস্টিং), ক্লাউড হোস্টিং ইত্যাদি। ডেডিকেটেড সার্ভারের হোস্টিং হলো ডেডিকেটেড হোস্টিং। ই-কমার্সের জন্য ডেডিকেটেড হোস্টিংয়ের সুবিধা এবং অসুবিধা দুটোই আছে। সার্ভারের আপটাইমের নিশ্চয়তা কখনোই দেওয়া যায় না। ডেডিকেটেড সার্ভারের মাসিক ভাড়া কমবেশি ছয় হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে থাকে।
২. কোনো সার্ভার যখন বিভিন্ন সাইটে ভাগাভাগি করে ব্যবহার হয়, তখন সেটা শেয়ার হোস্টিং। এই হোস্টিং কখনোই ই-কমার্স সাইটের জন্য ব্যবহার করা যাবেনা। সাইটে ট্রাফিক বা ভিসিটর এলেই সার্ভার ডাউন দেখাবে । এসব সার্ভারের ভাড়া একটু কম ই হয়। কোম্পানি ভেদে ১০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে এগুলো পাওয়া যাবে।
৩. এছাড়াও আছে ভিপিএস নামে একটি সার্ভার। যখন একটা ডেডিকেটেড সার্ভারকে ভার্চ্যুয়াল কোনো সফটওয়্যারের মাধ্যমে একাধিক ভাগে ভাগ করে বেশ কয়েকটি সার্ভার তৈরি করা হয়, তখন তাকে ভিপিএস সার্ভার বলা হয়। এই একেকটা ভাগ একেকটা স্বাধীন সার্ভারের মতো কাজ করে। ই-কমার্সের জন্য এগুলো ব্যবহার করা যায়। তবে এটার ব্যবস্থাপনা কষ্টসাধ্য এবং হামেশাই ডাউন হয়। ভালো ভিপিএস সার্ভারের মাসিক ভাড়া চার হাজার টাকা থেকে শুরু।
প্রয়োজনে এই সার্ভারের মাদ্ধমে ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাতে পারে। তাই একই সময়ে বেশি মানুষ সাইটে গেলেও সার্ভার ডাউন হয় না। তাই ই-কমার্স সাইটের জন্য প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত ক্লাউড হোস্টিং।

This website uses cookies to ensure you get the best experience on our website.