ওয়েব ডিজাইনের জন্য সেরা ১০ টি টুলস

ইন্টারনেট এ ওয়েব ডিজাইনার এবং ডেভেলপারদের জন্য প্রচুর টুল রয়েছে । এসব টুলস ব্যবহার করার ফলে আমরা একটি কঠিন কাজকে অনেক সহজে শেষ করতে পারি । ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করেন কিংবা ভবিষ্যতে যারা এই পেশায় যুক্ত হবার চিন্তাভাবনা করছেন, তাদের কাজের সুবিধার্থে কিছু টুলস সফটওয়্যার ব্যবহার উল্লেখ করছি, যা অনেকাংশেই কাজের সময় ও শ্রম কমিয়ে কাজকে করে গতিময়। আজ আপনাদের কাছে কিছু টুলস নিয়ে আলোচনা করবো যা একজন ওয়েব ডেভেলপারকে এসব টুলস ব্যবহার না করলেই নয় । এসব টুলস ওয়েব ডেভেলপারদের জন্য খুবই প্রয়োজন।

চলুন একটু এক নজরে দেখি আজ কি কি টুলস আপনাদের জন্য থাকছে;

১.নোটপ্যাড প্লাস প্লাস (Nodpad++)
২.ওয়েবসাইট স্পিড টেস্ট (Website Speed Test)
৩.পিক্সি (Pixie)
৪.সি.এস.এস. মিনিফায়ার (CSS Minifier)
৫.লাস্টপাস (LastPass)
৬. ফেভিকন জেনারেটর (FavIcon Generator)
৭. ফটোপিয়া (Photopea)
৮. ব্রাউজারসর্ট (Browsershots)
৯.সাবলাইন টেক্স (Sublime Text)
১০.লরেম ইপসাম (Lorem Ipsum)

১.নোটপ্যাড প্লাস প্লাস (Nodpad++)

আজ পর্যন্ত যারা কোডিং অথবা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ লেখার জন্য যদি কোন টুলস ব্যবহার করে থাকেন নোটপ্যাড প্লাসপ্লাস এর তুলনায় ভাল সফটওয়্যার আর হতে পারেনা। যদিও এই নোটপ্যাড প্লাসপ্লাস প্রতিটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে এ নোটপ্যাড ডিফল্টভাবেই থাকে কিন্তু নোটপ্যাড প্লাসপ্লাস এ পাবেন এডভান্স অনেক সুবিধা যা একবার ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন। এছাড়াও নোটপ্যাড প্লাসপ্লাস এর কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করে অত্যন্ত দ্রুত যেকোনো কাজ করতে পারবেন। যারা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করেন তাদের জন্য এই সফটওয়্যারটি খুবই প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ।

২.ওয়েবসাইট স্পিড টেস্ট (Website Speed Test)

Website speed test এই নামটি শুনেই বুঝতে পারছেন এর কাজ কি? জ্বি ঠিকিই ধরেছেন, আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলেন । এখন ওয়েবসাইটটি কত স্পীড এ চলছে তা আপনি কিভাবে বুঝবেন? তাই, আপনি ব্যবহার করবেন Website speed test টুল।

৩.পিক্সি (Pixie)

পিক্সি হলো এটি বিভিন্ন কালারের কোড নির্ধারণের জন্য একটি জনপ্রিয় সফটওয়্যার। যা আপনাকে একটা Color এর HEX, HTML, RGB, CMYK, HSV এর কোড গুলো দেখাবে। ওয়েবসাইট ডিজাইন করার জন্য কালার কোড এর প্রয়োজন অত্যাধিক। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে সহজেই যে কোনো কালারের কালার কোড জানতে পারবেন। আপনি যে একটি ওয়েবসাইটের যে অংশের কালার কোড চান সেই অংশে মাউস পয়েন্টার রাখলেই কাঙ্ক্ষিত কালার কোড পেয়ে যাবেন। সফটওয়্যাটির সাইজ মাত্র ১১ কিলোবাইট।

৪.সি.এস.এস. মিনিফায়ার (CSS Minifier)

CSS Minifier সিএসএস এর ফাইল সাইজ কমিয়ে ফেলতে এবং ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পীড বাড়াতে সিএসএস মিনিফাই করা হয় । সিএসএস ফিনিফাই করলে সিএসএস ফাইল এ ব্যবহৃত অপ্রয়োজনীয় স্পেস মুছে যায়

৫.লাস্টপাস (LastPass)

আপনি যদি সাইটের পাসওয়ার্ডের ১০০% নিরাপত্তা চান। LastPass হলো এমন একটা সাইট যে সাইট আপনার পাসওয়ার্ড গুলো সংরক্ষণ করে রাখবে।

৬. ফেভিকন জেনারেটর (FavIcon Generator)

ফেভিকন আসলে কি? কেন ব্যবহার করা হয় টা আমরা মোটামোটি সবাই জানি । ফেভিকন ওয়েব সাইটের একটি অপরিহার্য উপাদান । ফেভিকন ছাড়া ওয়েব সাইট অসম্পূর্ণ থেকে যায় । তাই, ফেভিকন ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৭. ফটোপিয়া (Photopea)

যাদের কম্পিউটারে ফটোশপ নেই তাদের জন্য অনলাইন ফটোশপ হিসেবে Photopea ব্যবহার করতে পারেন।

৮. ব্রাউজারসর্ট (Browsershots)

একটি ওয়েবসাইট অথবা থিম তৈরি করার পর ওয়েবসাইট/থিম টি সকল ব্রাউজার এ সাপোর্ট করবে কি না – এটা আমরা অনেক সময় চিন্তিত থাকি । এজন্য আমরা ওয়েবসাইট/থিম তৈরি করার পর তা বিভিন্ন ব্রাউজারে টেস্ট করি । কিন্তু, এটা অনেকের কাছে ঝামেলার কাজ । কেননা, আপনি কয়টি ব্রাউজারে তা পরীক্ষা করতে পারবেন? আপনার কম্পিউটার এ কি সব ব্রাউজার ইন্সটল করা আছে? এজন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন Browsershots টুল।

৯.সাবলাইন টেক্স (Sublime Text)

সাবলাইন টেক্স এটি একটি টেক্সট বা কোড এডিটর। সাবলিম, নোটপ্যাড++ এর চেয়ে কিচুটা উন্নত কোড এডিটর।

১০.লরেম ইপসাম (Lorem Ipsum)

অনেকের নতুন নতুন ওয়েব পেজ বানাতে গিয়ে বিভিন্ন সময় টেক্সটের প্রয়োজন হয়। লরেম ইপসাম এই ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় টেক্সট নিতে পারেন।

This website uses cookies to ensure you get the best experience on our website.